সামাজিক স্ট্যাটাস কী দুর্নীতির একটা বড় কারন
"A blog about social networking and web design." Health Tips For All, Entertainment, News
মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, কাউকে দিওনা দোষ পিতা/মাতার দোষে। ঘুষ-দুর্নীতির সাথে আমরা এত বেশী পরিচিত যে, এখন এগুলো জীবনেরই একটা অংশ । কালে-ভদ্রে যদি দু একটা দুর্নীতির কথা আমরা পত্রিকা বা কোন সংবাদ মাধ্যমে পড়ে থাকি তবে কিছুদিন ছিঃ ছিঃ করি। ফেসবুকে দুই একটা জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস দেই, আর বেশী উৎসাহী হলে কয়েকজন মিলে মানব বন্ধন করি। যে লোকটা দুর্নীতি করেছে তাকে নিয়ে কয়েকদিন বাজার গরম রাখি। ব্যাস, হয়ে গেল আমাদের কর্তব্য পালন। প্রিয় পাঠক, আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি যে মানুষটি দুর্নীতি করছে, সে আসলে কেন করছে? শুরুতেই বলা হয়েছে মানুষ নিষিদ্ধ পল্লিতে জন্মাক আর কোন সাধুর ঘরেই জন্মাক- সে কিন্তু নিষ্পাপ হয়েই জন্মায়। জীবনে প্রথম চাকুরী পাওয়াটা যেমন কঠিন, প্রথম ঘুষ খাওয়াটাও কঠিন। যে জীবনে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে, তাঁরও প্রথম দুর্নীতি করা টাকাটা তাকে একটু হলেও মনকষ্ট দিবেই। আসুন দেখি নিচের ঘটনা গুলো যারা সমাজে দুর্নীতি করে তাঁদের দুর্নীতির পিছনে অনেকাংশেই দায়ী কি না? সরকারী কর্মকর্তা রহমান সাহেব সারাদিন অফিস করে বাসায় যখন আসেন, গায়ের পোশাক খোলার আগেই স্ত্রীর অভিযোগ- "বজলুর সাহেব তোমার চেয়ে নিচু পোস্টে চাকরি করে, অথচ ভাবীকে দেখলাম নতুন ডায়মন্ড সেট কিনতে। তুমি আমাকে কবে কি দিয়েছ? ভাবীদের সাথে যখন কথা বলি তখন লজ্জায় মুখ আমার ছোট হয়ে যায়। একবারও কি বউ এর কথা ভাব?" প্রিয় পাঠক, রহমান সাহেব তাঁর স্ত্রী এর এই স্ট্যাটাস ঠিক রাখতে এখন কি করবেন? স্ত্রীকে ধরে পেটানো শুরু করবেন? স্ত্রীকে তালাক দিবেন? হাজার হলেও সামাজিক স্ট্যাটাস বলে কথা। রহমান সাহেবের স্ত্রীর মত আরও যে সকল জিনিস না থাকলে ভাবীদের মাঝে স্ট্যাটাস থাকে না সে গুলো হল- • বছরে না হোক অন্তত দুই-তিন বছরে একবার করে বাসার টি ভি চেঞ্জ করতে হবে। • পাঁচ বছরের পুরানো ফ্রিজ কখনই বাসায় রাখা যাবে না। • ফার্নিচার বিদেশী না হলেও অন্তত হাতিল-পাতিল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের হতে হবে। সুমির বাবা রিমির বাবার চেয়ে সিনিয়র অফিসার। অথচ সুমির হাতে নোকিয়ার পুরোন মডেলের মোবাইল। রিমি এই সপ্তাহে আইফোন-ফাইভ কিনেছে। আগেরটা একটু ওল্ড মডেল হওয়াতে ওটা আর ব্যাবহার করা যায়না। তাতে আর বান্ধবীদের মাঝে স্ট্যাটাস থাকে না। তাছাড়া বার্থডে, ফ্রেন্ডশিপ ডে সহ নানা রকম ডে তে রিমি বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে ভাল ভাল চাইনিজ ফাস্টফুডে ট্রিট দেয়। সুমির ট্রিট তো দূরের কথা সবাইরে এক কাপ চা খাওয়াতেই অবস্থা খারাপ। তাই, বাসায় এসে মায়ের সাথে ঝগড়া- বান্ধবীদের মাঝে তাঁর স্ট্যাটাস কত খারাপ সেটা নিয়ে। মা, উপায় না দেখে বাবাকে বলে- "ছেলে মেয়ের কি কোন সাধ-আহ্লাদ নেই? আমার কথা না হয় বাদই দিলাম। মেয়েটা ক্লাশে মুখ দেখায় কিভাবে? ছেলে মেয়ের কথা একবারও কি ভাব?" নাদিয়ার সামনে বিয়ে। বিয়েতে খরচ যোগাতে নাদিয়ার বাবার অবস্থা কেরোসিন। বহু কষ্টে জমানো যা টাকা ছিল তা দিয়ে মেয়ের গয়না কিনতেই সিংহভাগ শেষ। তাই বিয়ের অনুষ্টান ঘরোয়া ভাবেই সারতে হবে। হলুদের অনুষ্টানের তো প্রশ্নই আসে না। অথচ নাদিয়াদের উপরতালায় মিতুর বিয়ের কমুনিটি সেন্টারের ভাড়াই ছিল লাখ তিনেকের মত। হলুদের অনুষ্টানে ডি-জে, সাউন্ড সিস্টেম- সে এক হুলস্থূল কাণ্ড। বিয়ের ছবি তুলতেই নাকি খরচ হয়েছে মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা। অথচ নাদিয়ার বাবা আর মিতুর বাবা একই পদে চাকরি করেন। থাকেন সরকারী কোয়ার্টারে যদিও মিতুদেরর অনেকগুলো ফ্ল্যাট। নাদিয়ার এই গরীবি বিয়েতে সে আর তাঁদের কোয়ার্টারে মুখ দেখাতে পারে না। তাঁর স্ট্যাটাস নিয়ে সে যার পর নাই চিন্তিত। মেয়ের মুখের দিকে তাকানো যায় না। তাই নাদিয়ার মা তাঁর বাবাকে বলেন- "জীবনে কি করলা? সারা জীবন কষ্ট করছি ঠিক আছে। মেয়ের বিয়ের সময় যে একটু ভাল মত খরচ করব, তার আর উপায় নাই। ভাবীরা যখন জিজ্ঞাসা করে -কয় হাজার লোকের অ্যারেঞ্জ করলেন? তখন উত্তর দেই কি ভাবে? সে খেয়াল আছে তোমার?" লোক খাওয়ানোর প্রতিযোগিতা ছাড়াও যে সকল বিষয় গুলো স্ট্যাটাস বাড়ায় বলে ধরা হয় সে গুলো হল- • লাইটিং পারলে পুরো পাড়া জুড়ে করতে হবে। আর সার্চ লাইট তো লাগবেই, যার সার্চ লাইটের আলো যত বেশী দূরে যাবে তাঁর স্ট্যাটাস তত বেশী। • হলুদে কে কত জোরে নাচ গান করানোর ডিজে আনতে পারে, এ ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস শব্দের সমানুপাতিক। • কার ক্যামেরাম্যন এর লেন্স কত বড়, সে অনুপাতে টাকাও বেশী দিতে হবে। • গায়ের পোশাক অবশ্যই ইন্ডিয়ান টি ভি সিরিয়ালের মত হতে হবে। যে যত ভাল সিরিয়ালের মত ড্রেস পরতে পারবে সে তত উঁচু স্ট্যাটাসের অধিকারী। এছাড়াও অমক ভাবীর ঈদের শপিং করতে সিঙ্গাপুর যাওয়া; তমক ভাবী নিউ ইয়ারে মালয়েশিয়া ট্যুর দিচ্ছে; ঐ ভাবী গুলশান-বনানিতে নতুন ফ্ল্যাট কিনছেন-কিচেনে ইটালিয়ান মার্বেল; রিয়ার আব্বু নতুন মডেলের গাড়ী কিনছে আগেরটা কাজের বুয়ার হবু শ্বশুর কে দিয়ে দিবে বলে; আর রত্না ভাবীর ছেলে-মেয়ে গুলো তো সব ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে- কি সুন্দর ইংরেজিতে কথা বলে, আর তোমার ছেলে মেয়ে হচ্ছে গেঁয়ো ভূত। ইত্যাদি নানা রকমের সামাজিক স্ট্যাটাস রক্ষা করার জন্য জড়িয়ে পড়ছি অসামাজিক!!(প্রিয় পাঠক চুরি করার চেয়ে নিষিদ্ধ মেয়ের সাথে রাত কাটানো কি বেশী খারাপ কাজ?) কাজে আর নিজেদের বিবেকের স্ট্যাটাস এর বারোটা বাজাচ্ছি। তাই স্মার্ট ফোনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার আগে একবার হলেও আমাদের উচিৎ সেই স্মার্ট ফোনটি কিনতে আমার বা বাবার বা স্বামীর বিবেকের স্ট্যাটাস ঠিক ছিল কি না- একটু জিজ্ঞেস করা। https://www.youtube.com/watch?v=33IbnaVgOiw&spfreload=10
মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, কাউকে দিওনা দোষ পিতা/মাতার দোষে। ঘুষ-দুর্নীতির সাথে আমরা এত বেশী পরিচিত যে, এখন এগুলো জীবনেরই একটা অংশ । কালে-ভদ্রে যদি দু একটা দুর্নীতির কথা আমরা পত্রিকা বা কোন সংবাদ মাধ্যমে পড়ে থাকি তবে কিছুদিন ছিঃ ছিঃ করি। ফেসবুকে দুই একটা জ্বালাময়ী স্ট্যাটাস দেই, আর বেশী উৎসাহী হলে কয়েকজন মিলে মানব বন্ধন করি। যে লোকটা দুর্নীতি করেছে তাকে নিয়ে কয়েকদিন বাজার গরম রাখি। ব্যাস, হয়ে গেল আমাদের কর্তব্য পালন। প্রিয় পাঠক, আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি যে মানুষটি দুর্নীতি করছে, সে আসলে কেন করছে? শুরুতেই বলা হয়েছে মানুষ নিষিদ্ধ পল্লিতে জন্মাক আর কোন সাধুর ঘরেই জন্মাক- সে কিন্তু নিষ্পাপ হয়েই জন্মায়। জীবনে প্রথম চাকুরী পাওয়াটা যেমন কঠিন, প্রথম ঘুষ খাওয়াটাও কঠিন। যে জীবনে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে, তাঁরও প্রথম দুর্নীতি করা টাকাটা তাকে একটু হলেও মনকষ্ট দিবেই। আসুন দেখি নিচের ঘটনা গুলো যারা সমাজে দুর্নীতি করে তাঁদের দুর্নীতির পিছনে অনেকাংশেই দায়ী কি না? সরকারী কর্মকর্তা রহমান সাহেব সারাদিন অফিস করে বাসায় যখন আসেন, গায়ের পোশাক খোলার আগেই স্ত্রীর অভিযোগ- "বজলুর সাহেব তোমার চেয়ে নিচু পোস্টে চাকরি করে, অথচ ভাবীকে দেখলাম নতুন ডায়মন্ড সেট কিনতে। তুমি আমাকে কবে কি দিয়েছ? ভাবীদের সাথে যখন কথা বলি তখন লজ্জায় মুখ আমার ছোট হয়ে যায়। একবারও কি বউ এর কথা ভাব?" প্রিয় পাঠক, রহমান সাহেব তাঁর স্ত্রী এর এই স্ট্যাটাস ঠিক রাখতে এখন কি করবেন? স্ত্রীকে ধরে পেটানো শুরু করবেন? স্ত্রীকে তালাক দিবেন? হাজার হলেও সামাজিক স্ট্যাটাস বলে কথা। রহমান সাহেবের স্ত্রীর মত আরও যে সকল জিনিস না থাকলে ভাবীদের মাঝে স্ট্যাটাস থাকে না সে গুলো হল- • বছরে না হোক অন্তত দুই-তিন বছরে একবার করে বাসার টি ভি চেঞ্জ করতে হবে। • পাঁচ বছরের পুরানো ফ্রিজ কখনই বাসায় রাখা যাবে না। • ফার্নিচার বিদেশী না হলেও অন্তত হাতিল-পাতিল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের হতে হবে। সুমির বাবা রিমির বাবার চেয়ে সিনিয়র অফিসার। অথচ সুমির হাতে নোকিয়ার পুরোন মডেলের মোবাইল। রিমি এই সপ্তাহে আইফোন-ফাইভ কিনেছে। আগেরটা একটু ওল্ড মডেল হওয়াতে ওটা আর ব্যাবহার করা যায়না। তাতে আর বান্ধবীদের মাঝে স্ট্যাটাস থাকে না। তাছাড়া বার্থডে, ফ্রেন্ডশিপ ডে সহ নানা রকম ডে তে রিমি বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে ভাল ভাল চাইনিজ ফাস্টফুডে ট্রিট দেয়। সুমির ট্রিট তো দূরের কথা সবাইরে এক কাপ চা খাওয়াতেই অবস্থা খারাপ। তাই, বাসায় এসে মায়ের সাথে ঝগড়া- বান্ধবীদের মাঝে তাঁর স্ট্যাটাস কত খারাপ সেটা নিয়ে। মা, উপায় না দেখে বাবাকে বলে- "ছেলে মেয়ের কি কোন সাধ-আহ্লাদ নেই? আমার কথা না হয় বাদই দিলাম। মেয়েটা ক্লাশে মুখ দেখায় কিভাবে? ছেলে মেয়ের কথা একবারও কি ভাব?" নাদিয়ার সামনে বিয়ে। বিয়েতে খরচ যোগাতে নাদিয়ার বাবার অবস্থা কেরোসিন। বহু কষ্টে জমানো যা টাকা ছিল তা দিয়ে মেয়ের গয়না কিনতেই সিংহভাগ শেষ। তাই বিয়ের অনুষ্টান ঘরোয়া ভাবেই সারতে হবে। হলুদের অনুষ্টানের তো প্রশ্নই আসে না। অথচ নাদিয়াদের উপরতালায় মিতুর বিয়ের কমুনিটি সেন্টারের ভাড়াই ছিল লাখ তিনেকের মত। হলুদের অনুষ্টানে ডি-জে, সাউন্ড সিস্টেম- সে এক হুলস্থূল কাণ্ড। বিয়ের ছবি তুলতেই নাকি খরচ হয়েছে মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা। অথচ নাদিয়ার বাবা আর মিতুর বাবা একই পদে চাকরি করেন। থাকেন সরকারী কোয়ার্টারে যদিও মিতুদেরর অনেকগুলো ফ্ল্যাট। নাদিয়ার এই গরীবি বিয়েতে সে আর তাঁদের কোয়ার্টারে মুখ দেখাতে পারে না। তাঁর স্ট্যাটাস নিয়ে সে যার পর নাই চিন্তিত। মেয়ের মুখের দিকে তাকানো যায় না। তাই নাদিয়ার মা তাঁর বাবাকে বলেন- "জীবনে কি করলা? সারা জীবন কষ্ট করছি ঠিক আছে। মেয়ের বিয়ের সময় যে একটু ভাল মত খরচ করব, তার আর উপায় নাই। ভাবীরা যখন জিজ্ঞাসা করে -কয় হাজার লোকের অ্যারেঞ্জ করলেন? তখন উত্তর দেই কি ভাবে? সে খেয়াল আছে তোমার?" লোক খাওয়ানোর প্রতিযোগিতা ছাড়াও যে সকল বিষয় গুলো স্ট্যাটাস বাড়ায় বলে ধরা হয় সে গুলো হল- • লাইটিং পারলে পুরো পাড়া জুড়ে করতে হবে। আর সার্চ লাইট তো লাগবেই, যার সার্চ লাইটের আলো যত বেশী দূরে যাবে তাঁর স্ট্যাটাস তত বেশী। • হলুদে কে কত জোরে নাচ গান করানোর ডিজে আনতে পারে, এ ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস শব্দের সমানুপাতিক। • কার ক্যামেরাম্যন এর লেন্স কত বড়, সে অনুপাতে টাকাও বেশী দিতে হবে। • গায়ের পোশাক অবশ্যই ইন্ডিয়ান টি ভি সিরিয়ালের মত হতে হবে। যে যত ভাল সিরিয়ালের মত ড্রেস পরতে পারবে সে তত উঁচু স্ট্যাটাসের অধিকারী। এছাড়াও অমক ভাবীর ঈদের শপিং করতে সিঙ্গাপুর যাওয়া; তমক ভাবী নিউ ইয়ারে মালয়েশিয়া ট্যুর দিচ্ছে; ঐ ভাবী গুলশান-বনানিতে নতুন ফ্ল্যাট কিনছেন-কিচেনে ইটালিয়ান মার্বেল; রিয়ার আব্বু নতুন মডেলের গাড়ী কিনছে আগেরটা কাজের বুয়ার হবু শ্বশুর কে দিয়ে দিবে বলে; আর রত্না ভাবীর ছেলে-মেয়ে গুলো তো সব ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে- কি সুন্দর ইংরেজিতে কথা বলে, আর তোমার ছেলে মেয়ে হচ্ছে গেঁয়ো ভূত। ইত্যাদি নানা রকমের সামাজিক স্ট্যাটাস রক্ষা করার জন্য জড়িয়ে পড়ছি অসামাজিক!!(প্রিয় পাঠক চুরি করার চেয়ে নিষিদ্ধ মেয়ের সাথে রাত কাটানো কি বেশী খারাপ কাজ?) কাজে আর নিজেদের বিবেকের স্ট্যাটাস এর বারোটা বাজাচ্ছি। তাই স্মার্ট ফোনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার আগে একবার হলেও আমাদের উচিৎ সেই স্মার্ট ফোনটি কিনতে আমার বা বাবার বা স্বামীর বিবেকের স্ট্যাটাস ঠিক ছিল কি না- একটু জিজ্ঞেস করা। https://www.youtube.com/watch?v=33IbnaVgOiw&spfreload=10

Comments